প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, অনুষ্ঠা শর্মা বা শ্রুতি হাসানের মতো ফোলা ও ভরাট ঠোঁট অনেকেই চান। তাই লিপ ফিলার করানোর হিড়িক পড়েছে কমবয়সিদের মধ্যে। ঠোঁট পুরু করতে কেউ করাচ্ছেন বোটক্স, কেউ বেছে নিচ্ছেন ফিলার। ঠোঁটে সুচ ফোটাতে গিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকাও খসাচ্ছেন। এটি এক ধরনের সৌন্দর্য চিকিৎসা, যাতে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয় না। কেবল একটি ইঞ্জেকশনই যথেষ্ট। সেই ইঞ্জেকশনে ভরা থাকে সিন্থেটিক হায়ালুরনিক অ্যাসিড। ঠোঁটে সুচ ফোটালে তা চামড়া ভেদ করে ঢুকে কোষের ভিতরে এক রকম জেল ভরে দেয়। যাতে ঠোঁট ফুলেফেঁপে ওঠে। কিন্তু সকলের জন্য কি এই পদ্ধতি নিরাপদ? পুরু ঠোঁট চাইলে তার বিকল্প উপায়ও কিন্তু আছে।
লিপ ফিলারের বিকল্প পদ্ধতি
এলইডি লিপ লাইট
সৌন্দর্য চিকিৎসাই যদি করাতে হয়, তা হলে ফিলার নয়, এলইডি লাইটেও ঠোঁট পুরু হতে পারে। ত্বকের যত্নে যেমন এলইডি মাস্ক ব্যবহার করা হয়, ঠিক একই ভাবে ইনফ্রারেড রশ্মিকে কাজে লাগিয়েও ঠোঁটে ফোলা ভাব আনা যায়। এই রশ্মি ঠোঁটকে আরও বেশি কোলাজেন ও ইলাস্টিন প্রোটিন তৈরিতে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ঠোঁট ফোলা দেখায়। ঠোঁটের প্রাকৃতিক গোলাপি আভাও ফিরিয়ে আনতে পারে।
হায়ালুরোনিক অ্যাসিড পেন
এই পদ্ধতিতে কোনও সুচ ব্যবহার করা হয় না। একটি বিশেষ এয়ার-প্রেশার পেন বা ন্যানো-ইনফিউশনের মাধ্যমে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত সিরামকে উচ্চ চাপে ঠোঁটের উপরের স্তরে প্রবেশ করানো হয়, যা ঠোঁটে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। ঠোঁট ফোলাও দেখায়। এটি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন পদ্ধতি। এতে রক্তপাত বা কালচে দাগের ঝুঁকি থাকে না। যাঁদের খুব পাতলা, যাঁরা ঠোঁটে সুচ ফোটাতে ভয় পান, তাঁরা এই পদ্ধতিতে ঠোঁটে ভরাট ভাব আনতেই পারেন।
আল্ট্রাসাউন্ড লিপ থেরাপি
রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ঠোঁটে কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে ঠোঁট প্রাকৃতিক ভাবে টানটান ও কিছুটা ভারী দেখায়। যাঁদের বয়সজনিত কারণে ঠোঁটের চারপাশ কুঁচকে গিয়েছে বা ঠোঁট খুব পাতলা, তাঁরা ঠোঁট ভরাট দেখাতে এই থেরাপি করাতে পারেন।
ঠোঁট ফোলা দেখানোর ঘরোয়া উপায়
দারচিনি ও পুদিনার তেল
২ চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে এক ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল বা দারচিনিগুঁড়ো মিশিয়ে ঠোঁটে হালকা মাসাজ করুন। এটি ঠোঁটে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। ফলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর হয়, ঠোঁট ভরাট দেখায় এবং কালচে ছোপ উঠে যায়।
সুগার স্ক্রাবিং
ব্রাউন সুগার ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে আলতো করে ঠোঁটে স্ক্রাব করুন। এতে মৃত কোষ দূর হয়, ঠোঁটে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে ঠোঁট চকচকে, গোলাপি ও ভরাট দেখায়।
অ্যালো ভেরা ও নারকেল তেলের মাস্ক
১ চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে আধ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। তার পর ধুয়ে ফেলে ভাল করে ময়েশ্চারাইজ়ার মালিশ করতে হবে। এই প্যাক সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই ঠোঁট ভরাট দেখাবে।
লিপ ফিলারের বিকল্প পদ্ধতি
এলইডি লিপ লাইট
সৌন্দর্য চিকিৎসাই যদি করাতে হয়, তা হলে ফিলার নয়, এলইডি লাইটেও ঠোঁট পুরু হতে পারে। ত্বকের যত্নে যেমন এলইডি মাস্ক ব্যবহার করা হয়, ঠিক একই ভাবে ইনফ্রারেড রশ্মিকে কাজে লাগিয়েও ঠোঁটে ফোলা ভাব আনা যায়। এই রশ্মি ঠোঁটকে আরও বেশি কোলাজেন ও ইলাস্টিন প্রোটিন তৈরিতে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ঠোঁট ফোলা দেখায়। ঠোঁটের প্রাকৃতিক গোলাপি আভাও ফিরিয়ে আনতে পারে।
হায়ালুরোনিক অ্যাসিড পেন
এই পদ্ধতিতে কোনও সুচ ব্যবহার করা হয় না। একটি বিশেষ এয়ার-প্রেশার পেন বা ন্যানো-ইনফিউশনের মাধ্যমে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত সিরামকে উচ্চ চাপে ঠোঁটের উপরের স্তরে প্রবেশ করানো হয়, যা ঠোঁটে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। ঠোঁট ফোলাও দেখায়। এটি সম্পূর্ণ ব্যথাহীন পদ্ধতি। এতে রক্তপাত বা কালচে দাগের ঝুঁকি থাকে না। যাঁদের খুব পাতলা, যাঁরা ঠোঁটে সুচ ফোটাতে ভয় পান, তাঁরা এই পদ্ধতিতে ঠোঁটে ভরাট ভাব আনতেই পারেন।
আল্ট্রাসাউন্ড লিপ থেরাপি
রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ঠোঁটে কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে ঠোঁট প্রাকৃতিক ভাবে টানটান ও কিছুটা ভারী দেখায়। যাঁদের বয়সজনিত কারণে ঠোঁটের চারপাশ কুঁচকে গিয়েছে বা ঠোঁট খুব পাতলা, তাঁরা ঠোঁট ভরাট দেখাতে এই থেরাপি করাতে পারেন।
ঠোঁট ফোলা দেখানোর ঘরোয়া উপায়
দারচিনি ও পুদিনার তেল
২ চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে এক ফোঁটা পেপারমিন্ট অয়েল বা দারচিনিগুঁড়ো মিশিয়ে ঠোঁটে হালকা মাসাজ করুন। এটি ঠোঁটে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে। ফলে ঠোঁট ফাটার সমস্যা দূর হয়, ঠোঁট ভরাট দেখায় এবং কালচে ছোপ উঠে যায়।
সুগার স্ক্রাবিং
ব্রাউন সুগার ও মধু একসঙ্গে মিশিয়ে আলতো করে ঠোঁটে স্ক্রাব করুন। এতে মৃত কোষ দূর হয়, ঠোঁটে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, ফলে ঠোঁট চকচকে, গোলাপি ও ভরাট দেখায়।
অ্যালো ভেরা ও নারকেল তেলের মাস্ক
১ চামচ অ্যালো ভেরা জেলের সঙ্গে আধ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে ঠোঁটে মাসাজ করে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। তার পর ধুয়ে ফেলে ভাল করে ময়েশ্চারাইজ়ার মালিশ করতে হবে। এই প্যাক সপ্তাহে তিন দিন ব্যবহার করলেই ঠোঁট ভরাট দেখাবে।