ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর এখন চলছে ভোট গণনা। সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক রয়েছেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। পাশাপাশি নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করেন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি ক্যামেরা এবং বিজিবির ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়।
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় বিশেষ মনিটরিং সেল।
এখন ভোট গণনা চলছে। গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘোষণার মাধ্যমে জানা যাবে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে জুটছে বিজয়ের মালা।
ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকের মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক রয়েছেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন ২১ প্লাটুন বিজিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। পাশাপাশি নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে দায়িত্ব পালন করেন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বডি ক্যামেরা এবং বিজিবির ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়।
নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় বিশেষ মনিটরিং সেল।
এখন ভোট গণনা চলছে। গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ঘোষণার মাধ্যমে জানা যাবে, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে জুটছে বিজয়ের মালা।