নাটোরের গুরুদাসপুরে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. রবিউল মুন্সীকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৫। হত্যাকাণ্ডের ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নাটোর সদর থানাধীন লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-৫-এর রাজশাহীর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তার রবিউল মুন্সী নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মালিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত তাজেল মুন্সীর ছেলে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ পোষা ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে স্থানীয় গাইনের বিলে মো. আরিফুল ইসলামের পুকুরপাড়ে যান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা রবিউল মুন্সীকে লুঙ্গি ও টি-শার্ট পরা অবস্থায় শরীরে কাদা মাখা নিয়ে দ্রুত মাঠ থেকে চলে যেতে দেখেন।
পরে ওই নারী বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং রবিউলকে কাদামাখা অবস্থায় চলে যেতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মামুদপুর গ্রামের আবাদি ধানখেতে কলাপাতা দিয়ে আংশিক ঢাকা এবং কাদামাটির মধ্যে ডোবানো অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই নারীকে কাদামাটির মধ্যে মাথা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মরদেহ শনাক্তের পর নিহতের ছেলে ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে গুরুদাসপুর থানায় মামলা করা হয়।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল মুন্সী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে গুরুদাসপুর থানার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নাটোর সদর থানাধীন লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি-৫-এর রাজশাহীর সিপিসি-২, নাটোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল।
গ্রেপ্তার রবিউল মুন্সী নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মালিপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত তাজেল মুন্সীর ছেলে।
এসআরবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের মামুদপুর গ্রামের বাসিন্দা ওই গৃহবধূ পোষা ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে স্থানীয় গাইনের বিলে মো. আরিফুল ইসলামের পুকুরপাড়ে যান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা রবিউল মুন্সীকে লুঙ্গি ও টি-শার্ট পরা অবস্থায় শরীরে কাদা মাখা নিয়ে দ্রুত মাঠ থেকে চলে যেতে দেখেন।
পরে ওই নারী বাড়িতে ফিরে না আসায় এবং রবিউলকে কাদামাখা অবস্থায় চলে যেতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। এরপর মাঠে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মামুদপুর গ্রামের আবাদি ধানখেতে কলাপাতা দিয়ে আংশিক ঢাকা এবং কাদামাটির মধ্যে ডোবানো অবস্থায় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই নারীকে কাদামাটির মধ্যে মাথা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মরদেহ শনাক্তের পর নিহতের ছেলে ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে গুরুদাসপুর থানায় মামলা করা হয়।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল মুন্সী হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে গুরুদাসপুর থানার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।