‘ধুরন্ধর’ ছবির জনপ্রিয় ‘শরারত’ গানে কণ্ঠ দিয়ে খ্যাতির আলোয় আসেন জৈসমীন সৈন্ডলাস। একের পর এক অনুষ্ঠানে মোহিত করেছেন অনুরাগীদের। প্রথম বার কলকাতায় আসতে চলেছেন গায়িকা। আয়োজন হচ্ছে এক বড় কনসার্টের। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে সেই প্রস্তুতি। শুরু হয়ে গিয়েছে টিকিট বিক্রি। তাঁর গানের তালে মেতে ওঠার অপেক্ষায় শহরের সঙ্গীতপ্রেমীরা।
আগামী ১২ ডিসেম্বর শহরে বসতে চলেছে ‘ইউনিটি কনসার্ট সিজ়ন ২’-এর আসর। সেখানেই গান শোনাবেন জৈসমীন। আয়োজকদের দাবি, প্রথম বার কলকাতায় শিল্পীর অনুষ্ঠান ঘিরে সাড়াও মিলছে যথেষ্ট। অ্যাকোয়াটিকায় বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে প্রায় রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। আয়োজক সংস্থার কর্ণধার সম্বুদ্ধ ঘোষের কথায়, “জৈসমীন প্রথম বার কলকাতায় আসছেন। সেই কারণেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ রয়েছে। তা ছাড়া, ওঁর একাধিক গান সুপারহিট। এখন পঞ্জাবি গানের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। ফলে আমরা খুব ভাল সাড়া পাচ্ছি।”
কনসার্টের টিকিটের দাম শুরু হচ্ছে ৯৯৯ টাকা থেকে। সর্বোচ্চ টিকিটের মূল্য ১৫ হাজার টাকা। দর্শকদের সুবিধার্থে থাকছে একাধিক বিভাগ। সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম, ফ্য়ানপিট, ভিআইপি, লাউঞ্জ এবং গুলাবি লাউঞ্জ-এর মতো বিভিন্ন বিভাগে টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। আয়োজকদের আশা,সে দিন প্রায় ১০ হাজার দর্শকের সমাগম হতে পারে।
তবে এত বড় মাপের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার বন্দোবস্ত কী রকম থাকছে? আয়োজক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও দমকলের প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানের বিমার ব্যবস্থাও রয়েছে। মোতায়েন করা হবে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী। সম্বুদ্ধ বলেন, “পুলিশের অনুমতি ছাড়া এত বড় কনসার্ট আয়োজন করা সম্ভব নয়। প্রশাসনের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”
শুধু কনসার্ট নয়, শিল্পীর কলকাতা সফরের সূচিও ইতিমধ্যেই অনেকটা চূড়ান্ত। জানা যাচ্ছে, ১১ ডিসেম্বর অসমের গুয়াহাটিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জৈসমীন। পরের দিন, অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতায় পৌঁছোনোর কথা তাঁর। শহরে থাকাকালীন তাঁর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে একটি বিলাসবহুল হোটেলে। ১৩ ডিসেম্বর কলকাতা ছাড়ার কথা শিল্পীর।
কনসার্টে কি দেখা যাবে টলিপাড়ার পরিচিত মুখদেরও? আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলা বিনোদন জগতের একাধিক শিল্পী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে সাংসদ ও বিধায়কদেরও। যদিও কারা শেষ পর্যন্ত উপস্থিত থাকবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
কলকাতায় জৈসমীনকে নিয়ে আসার উদ্যোগ আয়োজক সংস্থারই। সম্বুদ্ধের কথায়, তাঁদের তরফ থেকেই শিল্পীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই উদ্যোগের ফলেই এ বার শহরে ‘ইউনিটি কনসার্ট সিজ়ন ২’-এর মঞ্চে দেখা যাবে তাঁকে।
২০১৪ সালে সলমন খানের ‘কিক’ ছবির ‘ইয়ার না মিলে’ গানের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ জৈসমীনের। যদিও তার আগে পঞ্জাবি ভাষায় পপ গান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করে নেন। লুধিয়ানার মেয়ের নাম এই মুহূর্তে দর্শকের মুখে মুখে। নেপথ্যে ‘ধুরন্ধর’ ছবির সাফল্য। এই ছবির দু’টি খণ্ডেই একাধিক গান গেয়েছেন এবং প্রতিটি গানই হিট। তাঁর ‘জাইয়ে সজনা’, ‘ইয়ার না মিলে’, ‘তরস’, ‘সিপ সিপ’ গানগুলিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।
আগামী ১২ ডিসেম্বর শহরে বসতে চলেছে ‘ইউনিটি কনসার্ট সিজ়ন ২’-এর আসর। সেখানেই গান শোনাবেন জৈসমীন। আয়োজকদের দাবি, প্রথম বার কলকাতায় শিল্পীর অনুষ্ঠান ঘিরে সাড়াও মিলছে যথেষ্ট। অ্যাকোয়াটিকায় বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলবে প্রায় রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। আয়োজক সংস্থার কর্ণধার সম্বুদ্ধ ঘোষের কথায়, “জৈসমীন প্রথম বার কলকাতায় আসছেন। সেই কারণেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ রয়েছে। তা ছাড়া, ওঁর একাধিক গান সুপারহিট। এখন পঞ্জাবি গানের জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। ফলে আমরা খুব ভাল সাড়া পাচ্ছি।”
কনসার্টের টিকিটের দাম শুরু হচ্ছে ৯৯৯ টাকা থেকে। সর্বোচ্চ টিকিটের মূল্য ১৫ হাজার টাকা। দর্শকদের সুবিধার্থে থাকছে একাধিক বিভাগ। সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম, ফ্য়ানপিট, ভিআইপি, লাউঞ্জ এবং গুলাবি লাউঞ্জ-এর মতো বিভিন্ন বিভাগে টিকিট কাটার সুযোগ রয়েছে। আয়োজকদের আশা,সে দিন প্রায় ১০ হাজার দর্শকের সমাগম হতে পারে।
তবে এত বড় মাপের অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার বন্দোবস্ত কী রকম থাকছে? আয়োজক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও দমকলের প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানের বিমার ব্যবস্থাও রয়েছে। মোতায়েন করা হবে বেসরকারি নিরাপত্তারক্ষী। সম্বুদ্ধ বলেন, “পুলিশের অনুমতি ছাড়া এত বড় কনসার্ট আয়োজন করা সম্ভব নয়। প্রশাসনের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী। নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”
শুধু কনসার্ট নয়, শিল্পীর কলকাতা সফরের সূচিও ইতিমধ্যেই অনেকটা চূড়ান্ত। জানা যাচ্ছে, ১১ ডিসেম্বর অসমের গুয়াহাটিতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন জৈসমীন। পরের দিন, অর্থাৎ ১২ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কলকাতায় পৌঁছোনোর কথা তাঁর। শহরে থাকাকালীন তাঁর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে একটি বিলাসবহুল হোটেলে। ১৩ ডিসেম্বর কলকাতা ছাড়ার কথা শিল্পীর।
কনসার্টে কি দেখা যাবে টলিপাড়ার পরিচিত মুখদেরও? আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছে, বাংলা বিনোদন জগতের একাধিক শিল্পী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে সাংসদ ও বিধায়কদেরও। যদিও কারা শেষ পর্যন্ত উপস্থিত থাকবেন, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
কলকাতায় জৈসমীনকে নিয়ে আসার উদ্যোগ আয়োজক সংস্থারই। সম্বুদ্ধের কথায়, তাঁদের তরফ থেকেই শিল্পীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সেই উদ্যোগের ফলেই এ বার শহরে ‘ইউনিটি কনসার্ট সিজ়ন ২’-এর মঞ্চে দেখা যাবে তাঁকে।
২০১৪ সালে সলমন খানের ‘কিক’ ছবির ‘ইয়ার না মিলে’ গানের মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ জৈসমীনের। যদিও তার আগে পঞ্জাবি ভাষায় পপ গান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করে নেন। লুধিয়ানার মেয়ের নাম এই মুহূর্তে দর্শকের মুখে মুখে। নেপথ্যে ‘ধুরন্ধর’ ছবির সাফল্য। এই ছবির দু’টি খণ্ডেই একাধিক গান গেয়েছেন এবং প্রতিটি গানই হিট। তাঁর ‘জাইয়ে সজনা’, ‘ইয়ার না মিলে’, ‘তরস’, ‘সিপ সিপ’ গানগুলিও বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।