ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের চারটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ব্রিটিশ কমেডিয়ান ও অভিনেতা রাসেল ব্র্যান্ড।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টের জুরি তাঁকে একজন নারীকে ধর্ষণ এবং আরও তিন নারীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। তবে আরও দুটি ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর বিচারক জোয়েল বেনাথান জানান, ব্র্যান্ডের উল্লেখযোগ্য মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে। আগামী সোমবার তাঁর সাজা ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে চার নারীর সঙ্গে সংঘটিত অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ব্র্যান্ড। ঘটনাগুলো ঘটেছিল একটি বেতারকেন্দ্র, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং লন্ডনে তাঁর বাসভবনে। চার সপ্তাহের বিচার চলাকালে ছয় নারী তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের অভিযোগ আনেন। তাঁদের মধ্যে চারজনের অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
বিচার চলাকালে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন ব্র্যান্ড। তাঁর দাবি, নারীদের সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্কগুলো পারস্পরিক সম্মতিতে হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশন পক্ষের অভিযোগ, নিজের খ্যাতি ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি নারীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণ করতেন।
ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় ২০২৩ সালে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ফোরের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ডিসপ্যাচেস এবং দ্য টাইমস ও সানডে টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর বিষয়টি তদন্তে নামে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্তে শতাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হয় এবং চার শতাধিক সাক্ষীর বক্তব্য নেওয়া হয়।
রায়ের পর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট অ্যান্ডি ফারফি অভিযোগকারীদের সাহসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ রায় দেখিয়েছে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন।
এদিকে ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে আরও দুটি ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত চলছে। এসব অভিযোগে এখনো কোনো দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়নি।
একসময় ব্রিটিশ ও হলিউড বিনোদনজগতের পরিচিত মুখ ছিলেন রাসেল ব্র্যান্ড। ‘ফরগেটিং সারাহ মার্শাল ও গেট হিম টু দ্য গ্রিক’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ২০১০ সালে মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরিকে বিয়ে করলেও পরের বছর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনের সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্টের জুরি তাঁকে একজন নারীকে ধর্ষণ এবং আরও তিন নারীকে যৌন নিপীড়নের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। তবে আরও দুটি ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের চেষ্টার অভিযোগ থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার পর বিচারক জোয়েল বেনাথান জানান, ব্র্যান্ডের উল্লেখযোগ্য মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে। আগামী সোমবার তাঁর সাজা ঘোষণা করা হবে। এরই মধ্যে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে চার নারীর সঙ্গে সংঘটিত অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ব্র্যান্ড। ঘটনাগুলো ঘটেছিল একটি বেতারকেন্দ্র, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং লন্ডনে তাঁর বাসভবনে। চার সপ্তাহের বিচার চলাকালে ছয় নারী তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধের অভিযোগ আনেন। তাঁদের মধ্যে চারজনের অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
বিচার চলাকালে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন ব্র্যান্ড। তাঁর দাবি, নারীদের সঙ্গে তাঁর শারীরিক সম্পর্কগুলো পারস্পরিক সম্মতিতে হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশন পক্ষের অভিযোগ, নিজের খ্যাতি ও প্রভাব ব্যবহার করে তিনি নারীদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন আচরণ করতেন।
ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয় ২০২৩ সালে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ফোরের অনুসন্ধানী অনুষ্ঠান ডিসপ্যাচেস এবং দ্য টাইমস ও সানডে টাইমসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর বিষয়টি তদন্তে নামে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ। তদন্তে শতাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলা হয় এবং চার শতাধিক সাক্ষীর বক্তব্য নেওয়া হয়।
রায়ের পর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সুপারিনটেনডেন্ট অ্যান্ডি ফারফি অভিযোগকারীদের সাহসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ রায় দেখিয়েছে, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন।
এদিকে ব্র্যান্ডের বিরুদ্ধে আরও দুটি ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত চলছে। এসব অভিযোগে এখনো কোনো দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়নি।
একসময় ব্রিটিশ ও হলিউড বিনোদনজগতের পরিচিত মুখ ছিলেন রাসেল ব্র্যান্ড। ‘ফরগেটিং সারাহ মার্শাল ও গেট হিম টু দ্য গ্রিক’সহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। ২০১০ সালে মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরিকে বিয়ে করলেও পরের বছর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়।