২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার, ১১:১৫:৪২ পূর্বাহ্ন


স্বামীকে না পেয়ে ফিরে গেলেন ভারতীয় তরুণী
অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-১২-২০২৩
স্বামীকে না পেয়ে ফিরে গেলেন ভারতীয় তরুণী স্বামীকে না পেয়ে ফিরে গেলেন ভারতীয় তরুণী


কাঁটাতারের বাধা উপক্ষা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিয়া বালা ও বিটু রায়ের সম্পর্ক গড়ায় ভালোবাসায়। আবদ্ধ হন বিবাহবন্ধনে। বিয়ের এক মাসের মাথায় রিয়াকে রেখে ভারত থেকে দেশে ফেরেন বিটু রায়। স্বামীর সন্ধানে বাংলাদেশে আসেন ওই তরুণী।

স্বামীকে না পেয়ে আজ শনিবার দুপুরে নিজ দেশে ফিরে গেছেন তিনি।

রিয়া বালা ভারতের বর্ধমান জেলার অম্বিকা কালনা এলাকার শ্যামল কান্তির মেয়ে। তাঁর স্বামী পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার উপজেলার দেবনগর ইউনিয়নের শিবচণ্ডী এলাকার অখিল চন্দ্রের ছেলে বিটু রায়।

স্থানীয় প্রশাসন ও রিয়া বালা জানান, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে রিয়া বালার সঙ্গে পঞ্চগড়ের অখিল চন্দ্র রায়ের ছেলে বিটু রায়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ থানার শিকারপুর এলাকায় রিয়া বালাকে বিয়ে করেন বিটু। বিয়ের পর তাঁরা সেখানে এক মাস ভাড়া বাড়িতে থাকেন। একদিন হঠাৎ পালিয়ে দেশে ফিরে আসেন বিটু রায়। দেশে ফেরার পর রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

তাঁদের বিয়ের বিষয়টিও অস্বীকার করেন বিটু। পলাতক স্বামীর খোঁজে গত ২৯ নভেম্বর পঞ্চগড়ে বিটুর বাড়িতে হাজির হন রিয়া। 

এদিকে তাঁর আসার খবর পেয়েই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বিটু। স্বামীকে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দেন তরুণী। খবরে পেয়ে শুক্রবার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি ওই বাড়ি থেকে রিয়াকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া থানায় রাখার ব্যবস্থা করেন।

একপর্যায়ে ওই তরুণীকে শনিবার দুপুরে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে তাঁর বোনের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অখিলের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলেকে রিয়ার পরিবার লাঞ্ছিত করেছে। বিটু বলেছে সে ওই মেয়ের সঙ্গে আর সংসার করবে না। আমাদের ভাঙাচোরা ঘরে ভারতীয় ওই মেয়ে বসবাস করতে পারবে না।’ 

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি বলেন, ‘বিটু রায় ভারতে বিয়ে করায় তাঁর পরিবার মানছে না। এদিকে ওই ভারতীয় তরুণী স্বামীকে না পেলে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন। ওই তরুণকে না পাওয়ায় বিষয়টি সমাধান করা যাচ্ছে না। ভারতীয় তরুণী কোনো লিখিত অভিযোগ বা আইনগত ব্যবস্থাও নেননি। তাঁকে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে তাঁর বোনের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’