২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার, ১০:২৭:২৫ পূর্বাহ্ন


'উদ্বেগ আতঙ্ক, স্যাংশন আসলে ক্রেতারা পোশাক নেবে না, এলসি খোলা যাবে না'
অনলাইন ডেস্ক:
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-১২-২০২৩
'উদ্বেগ আতঙ্ক, স্যাংশন আসলে ক্রেতারা পোশাক নেবে না, এলসি খোলা যাবে না' 'উদ্বেগ আতঙ্ক, স্যাংশন আসলে ক্রেতারা পোশাক নেবে না, এলসি খোলা যাবে না'


সম্ভাব্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘উদ্বেগ আতঙ্ক, স্যাংশন আসলে ক্রেতারা পোশাক নেবে না, এলসি খোলা যাবে না: বিজিএমনইএ সভাপতি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি তৈরি পোশাক খাতের প্রধান ক্রেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রপ্তানিকারকরা।

বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসান বলেছেন, বড় দুই বাজার থেকে নানা ধরনের চাপ আসছে। ক্রেতারা এরই মধ্যে ক্লজ দিয়ে গেছে যে, স্যাংশন হলে পেমেন্টতো দূরের কথা তারা গুডস নেবে না, গুডস নিলেও পেমেন্ট দেবে না। এই ক্লজে আমাদের ব্যাংক এলসি খুলবে না।’

বর্তমান এই সংকট উত্তরণে এ খাতের সব অংশীদারের সহযোগিতা চেয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি।

এই শর্ত বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের জন্য একটি নেতিবাচক ধাক্কা; যা স্থানীয় রপ্তানিকারকদের অনিশ্চয়তা এবং সম্ভাব্য আর্থিক ক্ষতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

সম্প্রতি বিদেশি ক্রেতার কাছ থেকে এলসি’র একটি অনুলিপিতে বলা হয়- “জাতিসংঘ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ, যুক্তরাজ্য যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে তাহলে ওই সব দেশ বা অঞ্চলের সঙ্গে কোনো ধরনের লেনদেন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবো না। এ অবস্থায় নিষেজ্ঞার কারণে হওয়া যেকোনো ধরনের বিলম্ব বা লেনদেন বাতিলের তথ্য প্রকাশের দায় নেবো না।

তবে এই এলসি একটি নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছ থেকে এসেছে এবং এটি কোনো দেশের দ্বারা সংবিধিবদ্ধ আদেশ বা বিজ্ঞপ্তি নয়।

সুতরাং একে বাংলাদেশের উপর বাণিজ্য প্রয়োগ বা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পরিমাপ হিসেবে ভুল ব্যাখ্যা করা উচিত নয় বলে বিজিএমইএ তাদের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেন।

সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘বাংলাদেশ ইস্যুতে মিত্রদের পাশে পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র’। খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ নিয়ে এমন বেশ কিছু ঘটনায় পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে একমত হতে যুক্তরাষ্ট্রকে বেগ পেতে হচ্ছে।

বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র যে ভাষায় বিবৃতি দিতে চাচ্ছে, অন্যরা তাতে রাজি হচ্ছে না। এ খবরে বলা হচ্ছে, বিবৃতির ভাষা পরিবর্তনে শর্ত আসছে, ঐকমত্যে পৌঁছাতে সময় লাগছে। শেষ পর্যন্ত নমনীয় ভাষায় বিবৃতি দেওয়া হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সেইসাথে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে আসছে। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করলে ভিসা না দেওয়ার কথাও বলে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এদিকে ভারত, রাশিয়া ও চীন তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেছে, নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়, যা সংবিধান অনুযায়ী হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করছে বলেও মনে করে রাশিয়া ও চীন।

বাংলাদেশ নিয়ে ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইতালি, নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড ও জাপানের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, কৌশলগত লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার রয়েছে। তাই বাংলাদেশে নির্বাচন ও শ্রম অধিকার ইস্যুতে তাদের পাশে পাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র।

যদিও বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেই রয়েছে। বিএনপির গত ২৮ অক্টোবরের সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার পর পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে একটি যৌথ বিবৃতি প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর পর যে বিবৃতি আসে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রসহ সাতটি দেশ বাংলাদেশে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানায়।

এদিকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমঝোতা নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘প্রতিদ্বন্দ্বীরাই চায় আসন সমঝোতা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে ৪৪টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে যে ২৯টি নির্বাচনে অংশ নেবে তাদের মধ্যে ২০টি দল সরাসরি নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী বলে তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে।

বিএনপিবিহীন নির্বাচনে অংশগ্রহণ বাড়াতে জাতীয় পার্টিসহ মাঝারি-ছোট ইসলামপন্থী এবং অন্যান্য দলকে ভোটে টেনেছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু কেউ আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী হতে রাজি নয় সবাই আসন সমঝোতা করে সংসদ সদস্য হতে চান।

এমনকি বেশিরভাগ অংশগ্রহণকারী শীর্ষস্থানীয় নেতাদের জন্য আওয়ামীলীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা চাইছে। বুধবার রাতে জাপা নেতাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বৈঠক হয়।

জাতীয় পার্টিকে আসনসহ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কী কী সুবিধা দিতে পারবে তা আলোচনা এসেছে। তবে কোন কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। বৃহস্পতিবার এই বৈঠকের বিষয় বক্তব্য তুলে ধরার কথা রয়েছে।

এর আগে ১৪ দলের জোটের শরিকরা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন তারাও আসল ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তবে কতটি আসনে নৌকা থেকে নির্বাচন করবেন সেই সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

নৌকা প্রতীক প্রত্যাশীদের তালিকায় ১৪ দলের শরিক ছাড়াও সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টিও রয়েছে। তারা হচ্ছে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীক চাইছে না।

এছাড়া ইসলামপন্থির জন্য কিংস পার্টি নিবন্ধন পাওয়া দলও রয়েছে নৌকা পাওয়ার দৌড়ে।

আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে বিরোধের আশঙ্কা প্রসঙ্গে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘আওয়ামী লীগ ও দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মুখোমুখি’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সংসদ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য আওয়ামী লীগ প্রতিটি আসনে দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী রাখার ঘোষণা দিলে দলের ভেতরেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ তৈরি হয়।

ফলে প্রায় প্রতিটি আসনেই আওয়ামী লীগ মনোনীতদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন দলটির স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

এভাবেই আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিতরা বিএনপির অনুপস্থিতিতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করছেন।

প্রায় প্রতিটি আসনেই আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বিভক্তি তীব্র আকার ধারণ করেছে। অনেকেই দলীয় প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হচ্ছেন। চলছে শক্তি প্রদর্শনের মহড়া। তারা সংঘাত ও সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ছেন।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সারা দেশে ৩২৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনি হলফনামা নিয় দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘হলফনামা শুধু কাগজেই’। খবরে বলা হচ্ছে, হলফনামায় প্রার্থীরা যেসব তথ্য দেন তা সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই হয় না। এ ছাড়া যাচাই-বাছাইয়ের জন্য যে সময় দেওয়া হয়, তা যথেষ্ট নয়।

ফলে অনেক প্রার্থীর পক্ষে তথ্য গোপনের সুযোগ থেকে যায়। আবার অনেকে মিথ্যা তথ্য দেয়। কেউ আবার বিভ্রান্তিমূলক তথ্যও দিয়ে থাকে। এগুলোর কোনো নির্ভরযোগ্যতা নেই। বিশেষ করে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ না দেওয়া, লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকা এবং মামলার তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে।

এ নিয়ে নাগরিক সংগঠনগুলোর দাবি নির্বাচন কমিশন থেকে কখনই প্রার্থীদের তথ্য সঠিকভাবে সরবরাহ করা হয় না। হলফনামার তথ্যগুলো ধারাবাহিকভাবে যাচাই-বাছাই করা হয় না।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীকে তার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামা জমা দিতে হয়।

এতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সম্পদের বিবরণসহ আট ধরনের তথ্য দিতে হয় প্রার্থীকে। হলফনামায় ভুল বা অসত্য তথ্য থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে ইসি।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যদি এসব তথ্য ভোটারদের মধ্যে সঠিকভাবে প্রচার করা হতো, তাহলে তারা জেনেবুঝে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারতেন।

গার্মেন্টস কর্মী নিহত হওয়ার তদন্ত প্রসঙ্গ নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Killing of most RMG workers goes uninvestigated’ অর্থাৎ ‘বেশিরভাগ তৈরি পোশাক কর্মীর হত্যার তদন্ত হয় না।’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় যেসব শ্রমিক নিহত হয়েছিলেন বছরের পর বছর তার কোন তদন্ত হয়নি।

শ্রমিক অধিকার কর্মীরা জানান, শ্রমিক হত্যার বিচার না হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা বেড়েই চলেছে, ফলে আরও শ্রমিক মারা যাচ্ছে।

গত ১০ বছরে শ্রমিক অসন্তোষে অন্তত ১০ জন গার্মেন্টস শ্রমিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে এ বছরই মারা গিয়েছেন পাঁচজন।

বেশির ভাগ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি, কিছু ঘটনায় পুলিশ অপমৃত্যুর মামলা করেছে।

নিহতদের পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ ও কারখানার প্রশাসন তাদের মামলা করতে নিরুৎসাহিত করেছে।

তবে আইনজীবীরা বলছেন, যদি নিহতের পরিবার ও বন্ধুবান্ধব মামলা না করে, তাহলে পুলিশকেই করতে হবে।

মানবাধিকার কর্মীরা জানান, শ্রমিক হত্যার ঘটনায় কোনো মামলা না করা জানান দেয় এই শ্রমিকরা তাদের কর্মক্ষেত্রে কতোটা শোষিত হয়।

তাদের দাবি পুলিশ শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং সাগ্রহে মামলা নেয়, কিন্তু তারা শ্রমিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে নারাজ।

সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময় মোট ৫৩টি মামলায় শতাধিক শ্রমিককে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকায় ভূগর্ভস্থ পানি পরিস্থিতি নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম ‘Dhaka stares down the barrel of water’ অর্থাৎ ‘ঢাকা পানির স্তর ক্রমেই নীচে নামিয়ে আনছে’। খবরে বলা হচ্ছে, এক সময় যে ঢাকাবাসীর জন্য ব্যাপক মিঠা পানির যোগান ছিল, এখন সেই পানি নাটকীয় হারে হ্রাস পেতে শুরু হয়েছে।

অদূর ভবিষ্যতে মাটির অনেক নিচে পানির উৎস অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। নগরীর চারপাশের নদী ও জলাশয়গুলো হয় দূষিত নাহলে দখলের হয়ে গিয়েছে।

এমন অবস্থায় ঢাকার দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে এবং বাড়িঘর ও শিল্প-কারখানায় সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় পানির প্রায় ৭০ শতাংশই আসে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। ঢাকা ওয়াসা একা প্রতিদিন প্রায় ৩৩ লাখ ঘনমিটার ভূগর্ভস্থ পানি পাম্প করে, যা দিয়ে মিরপুরের ২০টি ক্রিকেট স্টেডিয়াম পূর্ণ করা যাবে।

আশ্চর্যজনকভাবে, ঢাকা ওয়াসা সরবরাহের সময় প্রতিদিন পাঁচটি স্টেডিয়ামের সমান এই পানি সিস্টেম লসের মধ্যে নষ্ট করে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড সারাদেশে ১২৭২টি পর্যবেক্ষণ কূপের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ৬০ বছর ধরে পানির পরিমাণ এবং গুণমান পর্যবেক্ষণ করছে।

দেখা গিয়েছে ঢাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বছরে দুই মিটার বা সাত ফুট করে নীচে নেমে যাচ্ছে।

এর আগে ১৯৯৬ সালে ২৫ মিটার গভীর থেকে, চলতি বছর পানির স্তর ৭৫ মিটারে গভীরে নেমে আসে। ২০৫০ সাল নাগাদ এই পানির স্তর ১২০ মিটারে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর কারণ হল - এক হাজারটি ওয়াসা পাম্প ছাড়াও, দুই হাজারটি ব্যক্তিগত এবং আরও হাজার হাজার অননুমোদিত গভীর টিউবওয়েল ভূগর্ভস্থ জল নিষ্কাশন করছে।

এলএনজি টার্মিনাল চুক্তির খসড়া নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম ‘পনেরো বছরে সামিটের আয় হতে পারে অন্তত ১৭ হাজার কোটি টাকা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কক্সবাজারের মহেশখালীতে দেশের তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ নির্মাণের খসড়া চুক্তি অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

টার্মিনালটি নির্মাণের কাজ পেয়েছে সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠান সামিট অয়েল অ্যান্ড শিপিং কোম্পানি লিমিটেড। খসড়া চুক্তি অনুযায়ী, টার্মিনাল চালুর পর থেকে ১৫ বছর মেয়াদে দৈনিক তিন লাখ ডলার বা তিন কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার টাকার সমপরিমাণ রিগ্যাসিফিকেশন চার্জ পাবে সামিট।

সামিট গ্রুপ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী এলএনজি টার্মিনাল থেকে তাদের আয় হবে ডলারে।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতিটি এলএনজি টার্মিনাল বছরে গড়ে পাঁচদিন এবং প্রতি পাঁচ বছরে একবার দেড়-দুই মাসের জন্য রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এই ক’দিন কোনো চার্জ পাওয়া যাবে না।

সে অনুযায়ী, কোনো বিপত্তি না ঘটলে ১৫ বছরে টার্মিনালটি বন্ধ রাখতে হতে পারে সর্বোচ্চ ২৪০ দিন বা আট মাসের মতো। দৈনিক তিন লাখ ডলার হিসাবে (কর ও মূসক বাদে) এ সময় রিগ্যাসিফিকেশন চার্জ বাবদ সামিটের আয় হবে অন্তত ১৫৭ কোটি পাঁচ লাখ ডলার।

যা টাকার অংকে ১৭ হাজার ৩৫৪ কোটি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সামিটকে এ অর্থ ডলারে পরিশোধ করবে সরকার। সেক্ষেত্রে মুদ্রাটির বিনিময় হার বাড়লে এ বাবদ সরকারের ব্যয় হবে আরো অনেক বেশি।

কালের কণ্ঠের পেছনে পাতার খবর, ‘ইউনেসকোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতিসংঘের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বুধবার বিকেলে তার এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী যানবাহন রিকশাকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দেয়ার কথা জানিয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় ইউনেস্কোর ইন্টার গভর্নমেন্টাল কমিটি অন ইনট্যানজিবল হেরিটেজের ১৮তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি বছর ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্রে’র আবেদনপত্রটি বাংলা একাডেমির মাধ্যমে ইউনেস্কোর কাছে জমা দেওয়া হয়।

শিল্পকলার একটি স্বতন্ত্র ধারা হিসেবে বিশ্বব্যাপী রিকশাচিত্র চর্চিত হবে এখন। সামাজিক, সাংস্কৃতিক লাভের পাশাপাশি এর সঙ্গে একটি অর্থনৈতিক অর্জনও যুক্ত হবে।

এর আগে ২০০৮ সালে বাউলসংগীত, ২০১৩ সালে জামদানি শাড়ি ও ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।

আর ২০১৭ সালে বাংলাদেশের শীতল পাটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো। সূত্র: ‍বিবিসি বাংলা।