২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার, ১১:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন


এবার সাগরের তলদেশ দিয়ে ডিজেল পরিবহন শুরু
অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-১২-২০২৩
এবার সাগরের তলদেশ দিয়ে ডিজেল পরিবহন শুরু


ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ লোকমান জানান, মঙ্গলবার থেকে পাইপলাইন দিয়ে ডিজেল পরিবহন শুরু করা হয়েছে। এতে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।

 

অবশেষে সাগরের তলদেশ দিয়ে ডিজেল পরিবহন শুরু হয়েছে। সেখানে স্থাপিত পাইপলাইন দিয়েই ডিজেল পরিবহন করা হচ্ছে।

গভীর সমুদ্রের জাহাজ থেকে পাইপলাইনে মহেশখালী পৌঁছাবে জ্বালানি তেল। মঙ্গলবার বেলা পৌনে তিনটার দিকে গভীর সাগরে অপেক্ষমাণ একটি বড় জাহাজ থেকে ডিজেল পাম্প করা শুরু হয়।

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডের (ইআরএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ লোকমান জানান, মঙ্গলবার থেকে পাইপলাইন দিয়ে ডিজেল পরিবহন শুরু করা হয়েছে। এতে কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি।

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড সূত্র জানায়, এ জাহাজটি থেকে প্রায় ৬০ হাজার টন ডিজেল খালাস করা হবে। দুদিনের মধ্যেই ডিজেলবাহী এই মাদার ভেসেল থেকে তেল পুরোপুরি খালাস করা যাবে বলে তিনি আশা করেন।

এর আগে গত জুলাইয়ে একটি তেলবাহী জাহাজ থেকে প্রথমবারের মতো এসপিএম দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে জ্বালানি তেল সরবরাহের উদ্যোগ নেওয় হলেও পাইপলাইনে ত্রুটি ধরা পড়ায় সেটি ভেস্তে যায়। ত্রুটি সারিয়ে প্রায় ৪ মাস পর আবার জ্বালানি তেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

ইস্টার্ন রিফাইনারির কর্মকর্তারা জানান, সাগরে ভাসমান এই মুরিং থেকে ৩৬ ইঞ্চি ব্যাসের দুটি পাইপলাইনের মাধ্যমে মহেশখালীর স্টোরেজ ট্যাংক টার্মিনালে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ডিজেল পরিবহন শুরু হয়েছে। কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপকূল থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার গভীর সাগরে স্থাপন করা হয়েছে এসপিএম।

মূলত পরিশোধিত ডিজেল এবং ক্রুড অয়েল পরিবহন করা হবে এই পাইপলাইন দিয়ে।

ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ লোকমান বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল ও ডিজেল পৌঁছাতে ডিসেম্বরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত লাগতে পারে।

দেশের জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রকল্পটি প্রায় ১১০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের (দুটি পাইপলাইন)। এই প্রকল্প নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৭ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। এতে অর্থায়ন করেছে বিপিসি, বাংলাদেশ সরকার ও চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক।

প্রকল্পের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু প্রতিবছর প্রায় ৮০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে কর্মকর্তারা জানান।