ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ , ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নে বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক উন্মুক্ত অংশীজন সভা ইউপি চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে - রাণীশংকৈলে ইউএনও ইসরাত জাহান নিয়ামতপুরে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইদ, সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন্দ্রনাথ রাণীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন নিয়ামতপুরে পাটের তৈরি স্কুল ব্যাগসহ শিক্ষা উপকরণ বিতরণ আত্রাইয়ে স্টেশন এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় দুই শিশু উদ্ধার: পরিবারের সন্ধানে পুলিশ রাণীনগরে বিশেষ অভিযানে ৫জন গ্রেফতার,মাদক উদ্ধার আত্রাইয়ে মাঠপর্যায়ে সেবার মান বাড়াতে ৬৮ গ্রাম পুলিশের হাতে বাইসাইকেল ​রুয়েটের প্রধান ফটক থেকে উদ্ধার হওয়া সাইকেল আনসার ক্যাম্পে জমা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবদল ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে: মাহফুজুর রহমান রিটন যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড রাতে ভাত খাওয়া বারণ, রুটি পছন্দ নয়! স্বাস্থ্যকর অথচ সুস্বাদু ৩ খাবার বানিয়ে নিন যা খেলে মনও ভরবে পেনশনের টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, রাস্তায় লুটিয়ে পড়েও ঝোলা ছাড়লেন না বৃদ্ধা! তার পর? রুয়েটের প্রধান ফটক থেকে চুরি হওয়া সাইকেল উদ্ধার, আনসার ক্যাম্পে জমা হুথি হামলায় বিপর্যস্ত সৌদির আরবের আকাশপথ, বাতিল করতে হয়েছে চার হাজারেরও বেশি উড়ান অনুষ্কা-প্রিয়ঙ্কার মতো ফোলা ও ভরাট ঠোঁট হতে পারে সুচ না ফুটিয়েও, ফিলারের বিকল্প তিন উপায়ের সন্ধান রইল রোমান্স ও অ্যাকশনের মিশেলে ‘কিং’-এর নতুন ঝলক, শাহরুখের ছবির মুক্তি কবে? ‘আমার বাড়িতে কেউ এলে ব্যাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে’! আবাসন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ উর্ফীর ৩২ বছর পর পর্দায় অক্ষয়-রবীনার রসায়ন, ফের আসছে ‘মোহরা’! দীপাবলিতে ‘রামায়ণ’-এর সঙ্গে টক্কর

মহানবী (সা.)-এর দুধ মা ছিলেন যে দুই নারী সাহাবি

  • আপলোড সময় : ২০-০৭-২০২৫ ০৩:৪০:১৫ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২০-০৭-২০২৫ ০৩:৪০:১৫ অপরাহ্ন
মহানবী (সা.)-এর দুধ মা ছিলেন যে দুই নারী সাহাবি ছবি: সংগৃহীত
তৎকালীন আরবে সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুদের দুধ মায়ের কাছে রেখে লালন-পালনের প্রচলন ছিল। উদ্দেশ্য ছিল, শিশুরা যেন গ্রামের সবুজ-শ্যামল পরিবেশে, স্নিগ্ধ হাওয়া ও দূষণমুক্ত পরিবেশে সুন্দরভাবে বেড়ে উঠতে পারে। 

মহানবী (সা.) জন্মের পর প্রথমে নিজের মা আমিনার দুধ পান করেন। কিন্তু স্বামী হারানোর শোক এবং সন্তান লালন-পালনের চিন্তায় কিছুদিন পর তার বুকের দুধে স্বল্পতা দেখা দেয়। এ সময় শিশু মুহাম্মদ (সা.)-কে এক সপ্তাহ দুধ পান করিয়েছিলেন আবু লাহাবের আজাদকৃত দাসি সুয়াইবিয়াহ। 

ইতিহাস থেকে জানা যায়, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। রাসুল (সা.) তাকে অত্যন্ত সম্মান করতেন। মাঝেমধ্যে তার কাছে যেতেন, তার অবস্থা জানতেন এবং প্রয়োজনমতো তাকে সাহায্য-সহযোগিতা করতেন। হিজরতের পর যখন রাসুল (সা.) মদিনায় চলে যান, তখনো প্রায় সময় তার কাছে নানা জিনিস হাদিয়া পাঠাতেন।

এর কিছুদিন পর রীতি অনুযায়ী শহরের দুধের শিশুদের গ্রহণের জন্য মক্কায় আগমন করেন বনু সাদ গোত্র ধাত্রীরা। ধাত্রীদের একটি কাফেলায় ছিলেন হালিমা সাদিয়া নামের এক নারী। পরবর্তীতে তিনি ইতিহাসে খ্যাতি লাভ করেন মহানবী (সা.)-এর দুধ মা হিসেবে।

দুধ শিশু হিসেবে মুহাম্মদ (সা.)-কে গ্রহণের বিষয়টি নিজেই বর্ণনা করেছেন হালিমা সাদিয়া (রা.)। বলেছেন—

এ বছরটি ছিল দুর্ভিক্ষের। আমি একটি গাধার পিঠে সওয়ার হয়ে মক্কার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছিলাম। সঙ্গে একটি বয়স্ক উটও। কিন্তু উটের ওলানে কোনো দুধ ছিল না। আমার স্তনেও দুধ ছিল না। তাই আমার দুধের শিশুটি ক্ষুধার জ্বালায় এতো কান্না করছিল যে, এ কারণে আমাদের পুরো রাত নির্ঘুম কাটাতে হয়েছিল।  আমাদের গাধাটিও চলছিল ধীরগতিতে। কাফেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছিলাম না আমরা। এভাবেই এক সময় মক্কায় পৌঁছে দুধ শিশু খুঁজতে লাগলাম। 

আমাদের কাফেলার সবাইকে শিশু মুহাম্মদকে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো, কিন্তু এতিম শিশু হওয়ায় কেউ আগ্রহ দেখালো না তাঁকে নিতে। সব ধাত্রীই শিশুর বাবার কাছ থেকে ভালো উপঢৌকন আশা করছিল। তাই সবার ধারণা ছিল, পিতৃহীন এই শিশুর মা, দাদা তেমন কোনো উপঢৌকন দিতে পারবে না। তাই সবাই শিশু মুহাম্মদকে এড়িয়ে যাচ্ছিল।

এদিকে আমার সঙ্গে আসা ধাত্রীদের সবাই নিজের পছন্দমতো দুধ শিশু পেয়ে গেল। কিন্তু আমি কোনো শিশু পেলাম না। খালি হাতেই বাড়িতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। হঠাৎ, আমি আমার সিদ্ধান্ত বদলে আমার স্বামীকে বললাম, সহযাত্রীদের সঙ্গে একেবারে খালি হাতে ফিরে যেতে আমার খারাপ লাগছে। একেবারে শূন্য হাতে ফিরে যাবার থেকে ওই এতিম শিশুটাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চাই।

আমার স্বামী বললেন, কোনো আপত্তি নেই। নিতে পারো। বলা যায় না, আল্লাহ তায়ালা তার মাঝে হয়তো কল্যাণ রেখেছেন। 

হালিমা বলেন, অন্য কোনো শিশু না পাওয়ার কারণে স্বামীর সঙ্গে পরামর্শ করে আমি শিশু মুহাম্মদকে কোলে নিলাম। এরপর থেকেই শুরু হলো বরকত।

হালিমা সাদিয়া রা.-এর বর্ণনায়, শিশু মুহাম্মদকে কোলে নেওয়ার পর আমার স্তন দুধে ভরে উঠলো। সে নিজে পেটভরে পান করলো। তার দুধভাই আমার নিজের কোলের শিশুটিও দুধ পান করে তৃপ্ত হলো। এরপর তারা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়লো। অথচ মক্কায় আসার পথে আমাদের এই সন্তানের ক্ষুধা নিবারণ করতে না পারার কারণে আমরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারিনি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Rajshahir Somoy

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
নগরীজুড়ে মাদক ও জুয়াড়ী সহ গ্রেপ্তার ৩৫

নগরীজুড়ে মাদক ও জুয়াড়ী সহ গ্রেপ্তার ৩৫